যে কারনে আপনার সিভি বা রিজিউম খুলেও দেখা হবে না !

সিভি’র ভুলগুলো আপনার জানা জরুরি কেন?

প্রথম ইম্প্রেশন সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ।  প্রথম চেষ্টায় শক্তিশালী ইম্প্রেশন গড়ে তোলা খুব মুস্কিল হতে পারে। বাজে পর্যবেক্ষণের ফলে বেশিভাগ আবেদনকারীর সিভি বা রিজিউম জঞ্জালে পরিণত হয়।

আপনার চমৎকার শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অনেক এক্সট্রা কারিকুলাম এক্টিভিটি থাকতে পারে, কিন্তু যদি রিজিউম বানানোর সময় কোনো ছোটখাটো ভুল আপনার নজর এড়িয়ে যায় তাহলে সেটা আপনাকে সমস্যায় ফেলে দিবে।

সেটা নিয়োগকর্তার চোখে আপনার একটা খারাপ ইমেজ সৃষ্টি করবে। কাকে কাকে ইন্টারভিউ এর সুযোগ দেওয়া হবে সিভি দেখেই তারা সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।

আরও পড়ুনঃ সিভি ও রিজিউম এর মধ্যে পার্থক্য কী?

তাই চাকরির জন্য প্রস্তুত করা সিভি বা রিজিউমতে যদি কোনো ভুল থাকে তাহলে আপনার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

সিভিতে সাধারণত যেসকল ভুল হয়ে থাকে তার প্রতি নজর দিন এবং যতোটা সম্ভব সেটাকে নিখুঁত করে তুলুন।

আপনি চাকরির যোগ্য কিনা তা নিয়োগকর্তা আপনার সিভি দেখে বিচার করবেন।

তাই কোনো সিভি জমা দেওয়ার আগে ওটার খুঁটিনাটি যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন। নিচে কিছু ভুল উল্লেখ করা হল যা সিভি বা রিজিউম বানানোর সময় এড়িয়ে চলা উচিত।

যে ৯ টি কারণে আপনার সিভি খুলেও দেখা হবে না!

১) বানান ও ব্যাকরণগত ভুল:

সিভিতে ভুলের কোনো স্থান নেই। বানান ও অন্যান্য ব্যাকরণগত ভুলের কারণে আপনার সিভি বা রিজিউম জঞ্জালে পরিণত হতে পারে।

প্রচুর মনোযোগ সহকারে আপনাকে সিভিটা বানাতে হবে যাতে সেটাতে কোনো বানান বা ব্যাকরণগত ভুল না থাকে। উদাহরণস্বরূপ, আপনি diary শব্দটা লিখতে গিয়ে বানান ভুল করে dairy লিখে ফেললেন।

এছাড়া কমা (,) ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।  ২০১৩ সালে করা এক জরিপে দেখা গেছে যে ৫৮% নিয়োগদাতা সিভি/রিজিউমতে বানান ও ব্যাকরণগত ভুল খুঁজে সেসব প্রার্থীকে বাদ দিয়ে দেন।

বর্তমানে কম্পিউটারের যুগে সে ধরণের ভুল ঠিক করা খুবই সহজ। এরপরও যারা এধরণের ভুল করে তাদের জন্য ইন্টারভিউতে ডাক পাওয়া দিনদিন কঠিন হয়ে উঠছে।

একজন নিয়োগকর্তা সবসময় উচ্চ প্রত্যাশা সহ আপনার রিজিউম দেখে থাকেন কারণ সেটাতে আপনার শিক্ষাগত ইতিহাস ও অভিজ্ঞতার উল্লেখ থাকে।

আপনাকে কাজটা সিরিয়াসলি নিতে হবে যেন নিয়োগকারী এটা বুঝতে পারে যে আপনি এ বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক। পরিশেষে আপনি  Ginger বা Grammarly দিয়েও সব বানান চেক করে নিতে পারেন।

২) দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার উপর যথেষ্ট ফোকাস না করা:

এক জরিপে দেখা গেছে, ৩৫ ভাগ সিভিতে দক্ষতার উল্লেখ না থাকায় সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাদ পড়ে যায়। চাকরির বিবরণে, নিয়োগকারী উক্ত পদের জন্য অত্যাবশ্যক  দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার প্রতি ইঙ্গিত দিয়ে থাকেন। 

তাই আপনি তাদের চাহিদা পূরণ করতে পারবেন কি না তা যদি সঠিকভাবে  উল্লেখ না করতে পারেন তাহলে আপনার চাকরি পাবার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে।

তাই রিজিউম বা সিভিতে আপনার দক্ষতা ও সক্ষমতার পরিষ্কার বর্ণনা দিতে হবে যাতে নিয়োগকারী উক্ত পদের জন্য আপনাকে উপযুক্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করতে পারেন।

আপনার বিভিন্ন দক্ষতা হয়তো নিজের কাছে তেমন গুরুত্বপূর্ণ না মনে হতে পারে কিন্তু নিয়োগকর্তার কাছে সেসব দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ।

কি কি বিষয় উল্লেখ করা উচিতঃ

  • আপনার কম্পিউটার দক্ষতা কেমন, টিমওয়ার্কে আপনি কতটা ভালো, কয় ভাষায় সাবলীল কথা বলতে পারেন, সিভিতে এসব সঠিকভাবে উল্লেখ করা উচিত।
  • চাকরির সাথে সম্পর্কিত দক্ষতাগুলো সবার আগে উল্লেখ করতে হবে। তবে অপ্রাসঙ্গিক দক্ষতার কথা উল্লেখ করতে যাবেন না।
  • সিভিতে অর্থহীন ও অপ্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। কারণ সেসব তথ্য নিয়োগকর্তার কাছে অপ্রাসঙ্গিক মনে হবে এবং তিনি আপনাকে উক্ত পদের জন্য অযোগ্য হিসেবে গণ্য করবেন।

৩) মিথ্যা বা বিকৃত তথ্য দেওয়া:

কখনোই সিভিতে তথ্য লুকাবেন না বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিবেন না। সেটা আপনার সিভিকে জঞ্জাল করে তুলবে।  সেরকম কাজ নিয়োগকর্তার নজর এড়িয়ে যাবে না কারণ তারা বহু বছর ধরে ইন্টারভিউ নিয়ে আসছে।

তারা শুরুতেই আপনাকে ধরে ফেলবে। যদি আপনার সিভিতে সামান্যও ভুল তথ্য দেওয়া থাকে তাহলে সেই চাকরিকে বিদায় জানিয়ে দিতে পারেন।

আপনার যে কম্পিউটার স্কিল নেই তা উল্লেখ করতে যাবেন না। অনেকে আছে যারা সিনেমাতে উর্দু বা হিন্দি ভাষা বুঝতে পারে বলে সিভিতে উল্লেখ করে দেয় যে তাদের সে ভাষার উপর দক্ষতা আছে।

সেটা মোটেও উচিত না। একটা ভাষার উপর দক্ষতা থাকার অর্থ হচ্ছে আপনি সেটা বুঝার সাথে সাথে ভালোভাবে পড়তে ও লিখতে পারেন।

তাই কিছু না লুকিয়ে সরাসরি তুলে ধরুন যে আপনি আসলে কে, আপনার আসল শিক্ষাগত যোগ্যতা কী, কেন আপনি চাকরিটার জন্য উপযুক্ত।

সততার চাইতে ভালো আর কিছুই হতে পারে না। সত্য বলে আপনার হারানোর কিছুই নেই বরং পাওয়ার আছে।

৪) অতিরিক্ত বাজওয়ার্ড (buzzword) ব্যবহার করা:

বাজওয়ার্ড হচ্ছে এমন শব্দ বা বাক্য যা বর্তমান সময়ে খুব জনপ্রিয় কিন্তু যেটা খুব কম অর্থ বহন করে। 

আরেকটা সাধারণ ভুল যা চাকরি প্রার্থীরা করে থাকে তা হচ্ছে সিভিতে অতিরিক্ত বাজওয়ার্ড বা কিওয়ার্ড ব্যবহার করা।

এগুলো দেখে নিয়োগকর্তারা শুধু বিরক্তই হন। এগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো এবং এমন কিছু ব্যবহার করুন যা আপনাকে সঠিকভাবে বর্ণনা করবে।

কিছু বার্জওয়ার্ডের উদাহরণ:

  • আমি একজন প্রকৃত হার্ড ওয়ার্কার
  • ডায়নামিক
  • স্ট্রাটেজিক থিংকার
  • গো টু পারসন
  • সমস্যা সমাধানে দক্ষ
  • বক্সের বাইরে গিয়ে চিন্তা করতে পারি

৫) সামাজিক মাধ্যমের ভুল ব্যবহার:

যদিও অনলাইন মার্কেট প্লেসে সোসিয়াল মিডিয়া অনেক ভূমিকা পালন করে কিন্তু সিভি বা রিজিউমতে ব্যক্তিগত আইডির লিংক মানে টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ও ফেসবুক আইডির লিংক যুক্ত করা উচিত না।

যদি ভেবে থাকেন যে আপনার সুন্দর ছবি ও জাঁকজমকপূর্ণ লাইফস্টাইল দেখার জন্য নিয়োগকর্তারা আপনাকে অনলাইনে খুঁজতে যাবে তাহলে আপনার ধারণা একেবারে ফালতু এবং এতে অপেশাদারিত্ব প্রকাশ পায়।

পরিস্থিতি বিবেচনা করে পেশাদারী নেটওয়ার্ক যেমন Research Gate, Academia and LinkedIn আইডি সিভি বা রিজিউমতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

নিয়োগকর্তা সেটা পেয়ে খুশিই হবেন কারণ সেখানে আপনার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সবকিছু একসাথে খুঁজে পাওয়া যাবে। এছাড়া বর্তমান সময়ে স্কাইপ আইডিও যোগ করা জরুরি। তারা অনলাইনেও ইন্টারভিউ নিতে পারে।

৬) অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী হওয়া:

অনেকেই সিভিতে Career Objective নামে একটা পয়েন্টের উল্লেখ করে থাকে।

পয়েন্টটিতে লেখা থাকে ‘আমি ওমুক পদে নিজের ক্যারিয়ার ডেভেলপ করতে চাই’ ইত্যাদি কথা। এরকম কিছু উল্লেখ না করায় ভালো। আপনি কী চান সে সম্বন্ধে নিয়োগদাতা মোটেও আগ্রহী নন।

তারা এমন মানুষকে চায় যে উক্ত পদের জন্য উপযুক্ত এবং  যে তাদের প্রতিষ্ঠানের সমস্যা দূর করবে। তাই আপনার সিভিতে ওমুক ব্যাংকে ৩ মাস ইন্টার্নশিপ করেছি না লিখে সেখান থেকে আপনি কী অর্জন করেছেন তা লিখুন। 

অবশ্যই পড়ুনঃ করোনা পরবর্তী বিশ্বে চাকরীর বাজারে এগিয়ে থাকার সেরা ৮ টি স্কিল

যেমন, সেখানে কাজ করে কী শিখেছেন, যে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন সেখানে ওই শিক্ষা কীভাবে কাজে আসবে এসব উল্লেখ করুন।

আপনার অর্জন সম্পর্কে নিয়োগকর্তাকে একটা পরিষ্কার ধারণা প্রদান করুন।  কিন্তু বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী হতে যাবেন না। 

সিভিতে বলে বসবেন না যে আমি ১ বছরের মধ্যে উক্ত প্রতিষ্টানের সিইও হতে চাই। সেটা হাস্যকর দেখাবে। সে কাজ করলে আপনার রিজিউম নিয়োগকর্তার কাছে মূল্য হারাবে।

৭) অপেশাদার ইমেইল এড্রেস ব্যাবহার করা:

ইন্টারভিউ বাগিয়ে নেওয়ার জন্য এমন ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করুন যা আপনার ব্যাপারে কথা বলবে। ড্রাগন, হিটম্যান, লাভার বয় কিনবা নামের আগে এঞ্জেল লাগানো ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুক।

একজন HR ম্যানেজার সবসময় ইলেকট্রিক মাধ্যমে নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে থাকেন। এমন ইমেইল ব্যাবহার করবেন না যেটা আপনার ফোনে লগিং করা নেই।

আরও পড়ুনঃ প্রফেশনাল ইমেইল লেখার A to Z নিয়ম কানুন

সবসময় ইমেইলে এক্টিভ থাকতে হবে। নিয়োগদাতা চাকরি সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাঠালে সেটা ইমেলের মাধ্যমেই পাঠাবে।

ইমেইল লিখা ও পাঠানোর সময় দেখে নিবেন যে আপনি সঠিক শিরোনাম, হেডিং, এবং সাবজেক্ট ব্যবহার করেছেন কি না।

আপনার সিঙ্গেচার, পেশাদারি লিংক ও আসল ফোন নাম্বার ব্যবহার করুন। চাকরির জন্য কীভাবে পেশাদারি ইমেইল লিখতে হয় সে ব্যাপারে তথ্য জোগাড় করুন। অনেক আইডিয়া পেয়ে যাবেন।

৮) অতিরঞ্জিত সিভি ফরম্যাট ব্যবহার করা:

কথায় আগে “প্রথমে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী”। আপনার সিভির ক্ষেত্রেও একই প্রবাদ প্রযোজ্য। সিভি যতটা পারেন সাধারণ কিন্তু সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন।

অতিরঞ্জিত  কিছু করবেন না। এমন কোন ফন্ট বা ফন্টের সাইজ ব্যবহার করবেন না যার ফলে লিখাগুলো স্পষ্টভাবে বোঝা না যায়। তথ্যগুলো ক্রমানুসারে সাজানোর চেষ্টা করুন।

আপনার রিজিউমর ফরম্যাট হতে হবে পরিষ্কার যাতে পাঠক সহজেই সেখান থেকে আপনার ক্যারিয়ার সম্পর্কে ধারণা পেতে পারে। অতিরঞ্জিত রঙ, অতিরিক্ত টেবিল ও কলাম, ছবি আপনার রিজিউমকে জঞ্জাল করে তুলবে।

তবে কিঞ্চিৎ পরিমাণে মানসম্মত রং ব্যবহার করে টাইটেলটি ভিন্ন করা যেতে পারে। আপনার সিভির মূল লক্ষ্য হচ্ছে আপনি চাকরিটির জন্য কতোটা যোগ্য তা তুলে ধরা।

সিভির ডিজাইনে বৈচিত্র্য নিয়ে আনার চেষ্টা করবেন না। সেক্ষেত্রে  ডিজাইন দৃষ্টিকটু লাগতে পারে এবং তা হলে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনা বেশি।

নিয়োগকর্তাকে আপনার সিভি ডাস্টবিনে ফেলে দিতে বাধ্য করবেন না বরং আপনার তথ্যকে সরল কিন্তু ইউনিকভাবে উপস্থাপন করুন। বড় ভাইয়ের সিভির ফরম্যাট কপি করতে যাবেন না।

নিজের জন্য আপনার মতো করে সহজসরলভাবে একটা সিভি ফরম্যাট তৈরি করুন। ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার সময় ভিন্ন ভিন্ন সিভি ব্যবহার করুন।

৯) অনুপযুক্ত ছবি ব্যবহার করা:

এই ভুলটা অনেকেই করে থাকে। কিছু না ভেবেই অনেকে তাদের সিভি বা রিজিউমতে সেলফি বা সেই টাইপের ছবি ব্যবহার করে।

সেটা বিশাল বড় ভুল। তার দ্বারা শুধু আপনার অপেশাদারিত্ব প্রকাশ পাবে। ছবির ব্রাকগ্রাউন্ড এক রঙের হতে হবে। চুল কিংবা দাড়ি পরিপাটি থাকতে হবে।

এমন ছবি ব্যবহার করুন যাতে চেহারা পরিষ্কার বুঝা যায়। সবসময় সাম্প্রতিক ছবি ব্যাবহার করুন। চাকরি আবেদন করার সময় স্কুল জীবনের ছবি ব্যবহার করা উচিত না।

নিয়োগদাতা যখন সিভি খুলে আপনার স্কুল জীবনের ছবি দেখবেন তখন তিনি কী ভাববেন? এবং অবশ্যই ছবি ও সিভি একসাথে পাঠাবেন। অনেকে সিভি ও ছবি আলাদা পাঠায়।

নিয়োগদাতার এতো সময় নেই যে তিনি হাজার হাজার সিভির মধ্যে আলাদাভাবে আপনার ছবি খুঁজে বের করবেন।

মোট কথা, একজন প্রত্যাশিত চাকরী প্রার্থী হিসেবে আপনার পরম কর্তব্য হচ্ছে সিভি বা রিজিউম তে এমন তথ্য প্রদান করা যা দেখে নিয়োগকর্তা সন্তুষ্ট হবেন। অন্যথায় তারা পরের পৃঠাতে আর যাবেন না, প্রথম পৃষ্ঠা পড়েই সেটা ছুড়ে ফেলবে।

পরিশিষ্টঃ

আপনার সিভিকে হতে হবে SMART. এখানে SMART দ্বারা বুঝানো হচ্ছে:

S= Specific ( সুনির্দিষ্ট)

M= Measurable (পরিমাপযোগ্য)

A= Achievable (সাধনযোগ্য)

R= Realistic (বাস্তব)

T=Time Bounded (নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে)।

আপনাকে এমন ভাবে সিভিটা বানাতে হবে যেন নিয়োগদাতার মনে হয় আপনিই তার কোম্পানিতে চাকরি করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।

এছাড়াও আপনাকে নিয়মিত নিজের সিভি আপডেট করতে হবে। আশা করি যদি এসব ভুল এড়াতে পারেন তাহলে চাকরি নামক সোনার হরিণকে আপনি ধরতে সফল হবেন।

যে কারনে আপনার সিভি বা রিজিউম খুলেও দেখা হবে না !
Md. Tota Miahhttps://totamiah.com
লেখক বর্তমানে রাজশাহীর বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসাবে কর্মরত আছেন। এছাড়া তিনি একজন গবেষক, ব্লগার, ফিটনেস, উচ্চতর পড়াশোনার পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিকাশের ক্ষেত্রে কাজ করেন। মোঃ তোতা মিয়া দেশের যুবসমাজকে কর্ম উপযোগী করে তোলার সপ্ন দেখেন।

JUST ADDED

Related Posts

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.